
জানা যায়, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহা সড়কে তিন চাকার যানবাহন চোখে পড়ার মত। এমনকি দক্ষিন চট্রলার বৃহৎ বানিজ্যিক উপশহর ঈদগাঁও বাজারসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের উপ সড়কে টমটম ও অটোরিক্সার পাল যেন দেখার কেউ নেই। কিন্তু সেই তুলনায় চালক নেই। গাড়ির মালিকরা বাধ্য হয়ে অদক্ষ শিশু-কিশোরদের হাতে গাড়ির চাবি তুলে দিচ্ছে। প্রায় চালক যেন ওস্তাতদের কাছ থেকেই শেখানো। ঝুঁকি নিয়ে কিশোর চালকরা চালাচ্ছেন গাড়ী।
যাত্রী শামসু, শফি, আলমসহ অনেকে জানান, বৃহত্তর ঈদগাঁওতে অল্প বয়সী তরুন চালকের সংখ্যা কম নেই। ঝুঁকি জানার পরেও এসব গাড়িতে উঠতে বাধ্য হচ্ছি, করার কিছু নেই।
কজন তরুনরা জানান, মহাসড়ক ও উপসড়কের সবখানে অদক্ষ-অপ্রাপ্ত বয়স্ক চালকের ছড়াছড়ি। তারা অনেক দ্রত বেগে গাড়ি চালায়। সড়কে দাঁড়ানো যাত্রী তুলতেই হঠাৎ ব্রেক দেয়। এতে অনেক যাত্রীর সমস্যা হয়। এছাড়া গাড়ি খালি থাকলে উল্টো পথের যাত্রী নিতে এদিক ওদিক না তাকিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে দেয়। যাতে সড়ক দুর্ঘটনার শংকা রয়েছে।
যাত্রীরা জানান, কিশোরেরাও রাস্তায় বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালায়, যাত্রীরা সাবধান করলে তারা শুনেনা। এসব চালকদের বিষয়ে ব্যবস্থা দাবীও জানান।
অভিজ্ঞ চালকরা জানান, অপ্রাপ্ত বয়স্কদের দিয়ে গাড়ি চালানোর পক্ষে নন তারা। তাছাড়া পেশার প্রবণতা হচ্ছে, হেলপার পরবর্তীতে চালক হয়ে আসে। চালকদের হাত ধরে হেলপারেরা যানবাহন চালানো শেখে। লাইসেন্সধারী, অভিজ্ঞ, দক্ষ চালকের সংখ্যা খুব কম। অল্প সংখ্যক থাকলেও তারা অদক্ষ চালকের কারনে দিশেহারা।
কিশোর, অদক্ষ চালকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃ পক্ষের সুনজর কামনা করেন সাধারণ মানুষসহ যাত্রীরা।
সম্পাদকঃ জিয়াউদ্দিন এম এনায়েতুল্লাহ্ হিরো
কপিরাইট - নয়াবাংলা কতৃক স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত